সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পন্ন, দুই নেত্রীর পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য রাজনৈতিক রূপ পেয়েছে

ঢাকা থেকে শাহরিয়ার শরীফ
2015.04.27
Share on WhatsApp
Share on WhatsApp
BD-citypoll চট্টগ্রামে নির্বাচনের সামগ্রী পুলিশের তত্বাবধানে ভোট কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে। ২৭ এপ্রিল,২০১৫
বেনার নিউজ

আজ ঢাকা ও চট্টগ্রামের তিন সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আজ তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মোট ভোট দেওয়ার কথা ৬০ লক্ষাধিক নাগরিকের। দেশের নয় কোটি ৬২ লাখ ভোটারের মধ্যে রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের এই নাগরিকেরাই নির্বাচনে অংশ নেবেন।

এর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ভোটার প্রায় সাড়ে ২৩ লাখ, ঢাকা দক্ষিণে ১৮ লাখ ৭০ হাজার এবং চট্টগ্রামে ১৮ লাখ ১৩ হাজার।চট্টগ্রামে ২০১০ সালের ১৭ জুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

আজকের নির্বাচনে তিন সিটি করপোরেশনে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ৭৮ হাজার ৭৩০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তরে ৩০ হাজার ৭৬৪, দক্ষিণে ২৬ হাজার ৪৯৬ এবং চট্টগ্রামে ২১ হাজার ৪৭০ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

নির্বাচন কমিশনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তালিকায় তিন সিটিতে তিন ব্যাটালিয়ন (এক ব্যাটালিয়ান=৭৪১) সেনা সদস্য থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়। তবে নির্বাচন কমিশনের পরিবর্তিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব সদস্য সেনানিবাসেই থাকবেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে ১৬ জন, ৩৬টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২৮১ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি ওয়ার্ডে ৮৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন।


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে মেয়র পদে ২০ জন, ৫৭টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৯০ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১৯টি ওয়ার্ডে ২১৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন।


আর চট্টগ্রামে মেয়র পদে ১২ জন, ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ২১৬ জন এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত ১৪টি ওয়ার্ডে ৬২ জন কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছেন।

সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট গ্রহণে সুবিধার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামের নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

দুই নেত্রীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনের পর জাতীয় নির্বাচনের চেহারা পেয়েছে সিটি করপোরেশন নির্বাচন। রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রাম সিটির এই নির্বাচন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে প্রধান দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের মধ্যে।

২৮ এপ্রিলের এই নির্বাচন সরকার ও প্রধান বিরোধী দলের কাছে হয়ে উঠেছে মুখ রক্ষার লড়াই। ২৬ এপ্রিল নির্বাচনী প্রচারের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পৃথক সংবাদ সম্মেলন করায় উভয় দলের নেতা–কর্মীদের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় অবস্থান নেওয়ার উৎসাহ বেড়েছে।

“দুই নেত্রীর পরস্পরবিরোধী বক্তব্য স্থানীয় নির্বাচনকে জাতীয় রূপ দিয়েছে। এর ফলে নির্বাচন কেমন হবে, তা নিয়ে ভোটারদের বড় অংশের আশঙ্কা আছে। আবার নির্বাচন প্রভাবিত করার বিভিন্ন চেষ্টাও লক্ষণীয়,” বেনারকে জানান ড. বদিউল আলম মজুমদার, যিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক–সুজনের সম্পাদক।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, দুই নেত্রী যেভাবে পরস্পরবিরোধী প্রতিশোধের কথা বলেছেন, তাতে বড় দুই দলের নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা এক ধরনের রাজনৈতিক ম্যাসেজ পেয়েছেন, যা ব্যাখ্যা করলে দাঁড়ায় যেকোনো উপায়ে বিজয়ী হতে হবে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকারের এই নির্বাচন অরাজনৈতিক দলেও পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক দলই প্রার্থী মনোনয়ন দেয়।

“নির্বাচন মানেই রাজনীতি। কিন্তু সিটি নির্বাচন ঘিরে সাধারণ ভোটারদের আগ্রহ যে মাত্রায় ছিল, তা শেষদিকে এসে অনেকটাই উবে গেছে। কারও কারও আগ্রহ থাকলেও গত কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাদের মধ্যে নির্বাচনের পরিবেশ ও ভোট দেওয়ার নিশ্চয়তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি করেছে,” বেনারকে জানান ড. তোফায়েল আহমেদ, যিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, নির্বাচন ঘিরে অস্থির রাজনীতিতে স্বস্তি ফিরে আসার লক্ষণ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ১৮ মার্চ নির্বাচনের তফসিল পর থেকে ইসির বিতর্কিত ভূমিকা, খালেদা জিয়ার ওপর তিন দফা হামলা, সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যসহ বিভিন্ন কারণে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে ।

“যত শঙ্কা বা আশঙ্কা থাকুক না কেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। এই নির্বাচনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সরল, স্বাচ্ছন্দ্য ও স্বাভাবিক হবে, বেনারকে জানান সরকারপন্থী বলে বিবেচিত সহস্র নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ও সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
২৮ এপ্রিল নির্বাচন সুষ্ঠু  হবে কিনা, সেই শঙ্কাও ভর করেছে অনেকের মধ্যে।নির্বাচন সুষ্ঠু না হলে বিরোধী দল আগের মতো সহিংস কর্মসূচি শুরু করবে কিনা, এমন আলোচনাও ঘুরছে মানুষের মুখে মুখে।

“গণমাধ্যমের প্রতিবেদন দেখে মনে হচ্ছে, এই নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হয়নি। ভোটাররা এখন আতঙ্কিত। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত,” জানান সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত হোসেন।
খালেদার নীরব প্রতিশোধের জবাবে প্রধানমন্ত্রী

২৬ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া সিটি নির্বাচনে নীরব প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান। এর জবাবে একইদিন সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেন, “কীসের প্রতিশোধ? কে, কার প্রতিশোধ নেবে? ”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কথা নেই, বার্তা নেই গত ৫ জানুয়ারি থেকে আবার তিনি মানুষ হত্যা শুরু করেন। তাজা মানুষগুলোকে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো। ১৫৭ জন নিরীহ নাগরিককে পুড়িয়ে মারা হলো। এখন যদি জনগণ প্রতিশোধ নেয় তা কার ওপর নেবে সেটা তাঁর ভেবে দেখা উচিত।”

এসব ঘটনার আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইন অনুযায়ী কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ‘জালিম’ ও ‘খুনি’ বলে মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলে বলেন, “খালেদা জিয়া আন্দোলনের নামে মানুষ যেভাবে পোড়াল, জঘন্য কাজ! বিশ্বে কোথাও কি কেউ দেখেছে? উনি যে মানুষকে পোড়ালেন, তিনি আবার মানুষের কাছে ভোট চান কীভাবে? কোন মুখে ভোট চান?”

সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে খালেদা জিয়ার অভিযোগের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন,“নীলনকশা করে কীভাবে নির্বাচনে জিততে হয়, এটা তাঁর চেয়ে কেউ ভালো জানেন না। ১৯৭৯ সালে তাঁর স্বামীর দেওয়া হ্যাঁ-না ভোটে ১২০ শতাংশ ভোট পড়ে। তাঁর আমলে ’৯১ সালে মাগুরা ও মিরপুর উপনির্বাচনে কী হয়েছিল, তা দেশবাসী জানে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “২০০১ সালে নির্বাচিত হয়ে তাঁর প্রিয় ব্যক্তিত্ব ফালুকে (মোসাদ্দেক আলী ফালু) কীভাবে জয়ী করা হয়েছিল, এটাও মানুষ জানে।” আর ’৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে কত পার্সেন্ট ভোট পড়েছিল-এই প্রশ্ন করে তিনি বলেন, “আমি প্রায়ই বলি ঋতু বদলায়, স্মৃতিও বদলায়। তবে আমার ভরসা দেশের মানুষ। তারা সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে না।”

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনী আচরণবিধি পড়ে শুনিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চালালেও তা গণমাধ্যমে আসেনি। তিনি ১৯৬টি মোটরসাইকেল ও ৯৫টি গাড়ি নিয়ে প্রচারণা চালিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কারচুপির আশঙ্কা নাকচ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণ যাকে চায় তাকেই ভোট দেবে। এখানে জাতীয় নির্বাচনের কোনো প্রতিফলন ঘটবে না। আর নির্বাচনে হার-জিত আছেই। জনগণ ভোট দিলে জিতব, না দিলে হারব।”

“প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন ছিল ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে। কিন্তু তাঁর পুরো বক্তব্য ছিল খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে।নির্বাচন সামনে রেখে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার আশায় তিনি পুরোনো কথাগুলো বলেছেন,” শেখ হাসিনার বক্তব্য বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান বেনারকে একথা বলেন।

বিএনপির ওই নেতার মতে, এর মধ্য দিয়ে আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যে প্রতিহিংসার চর্চা চলে আসছিল, তারই প্রকাশ ঘটল আবার।

নীরব প্রতিশোধ নিতে বললেন খালেদা

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজ দল-সমর্থিত প্রার্থীদের ভোট দিয়ে ‘সরকারের অপরাধের বিরুদ্ধে নীরব প্রতিশোধ’ নেওয়ার আহ্বান জানান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

গুলশানে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে খালেদা ভোটের দিন ও আগে-পরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য আবারও দাবি জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপি হলে জনগণের সঙ্গে বসে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সাতটি কারণ উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, “এই নির্বাচনকে তাঁরা সরকার, আওয়ামী লীগ, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য একটি ‘টেস্ট কেস’ হিসেবে নিয়েছেন। এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কোনো পরিবর্তন হবে না।”

তাঁর মতে, এমন একটি নির্বাচনেও যদি সন্ত্রাস, ডাকাতি, কারচুপির মাধ্যমে সরকার জনগণের রায় বদলে ফেলে, তাহলে আবারও স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হবে যে এদের অধীনে সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা সম্পূর্ণ অবাস্তব ও অবান্তর।

৪ এপ্রিল এই কার্যালয় থেকে আদালতে গিয়ে জামিন নিয়ে বাসায় ফেরার পর ২৬ এপ্রিল খালেদা জিয়া প্রথম কার্যালয়ে যান। গত ৩ জানুয়ারি রাত থেকে টানা তিন মাস তিনি ওই কার্যালয়ে অবস্থান করেন। ৫ জানুয়ারি সেখান থেকে তিনি টানা অবরোধের ডাক দিয়েছিলেন। ৪ এপ্রিল বাসায় ফেরার পর আন্দোলনের পরিবর্তে বিএনপি নির্বাচনমুখী হয়।

খালেদা জিয়ার প্রায় এক ঘণ্টার বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এ নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, পরাজয় বুঝতে পেরে সরকার বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারকাজে বাধা দিচ্ছে ও হামলা চালাচ্ছে। পুলিশকে বিরোধী প্রার্থী ও ভোটারদের হয়রানির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পুলিশ ও সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের হুমকি দিচ্ছে।

ভোটের দিন বিকেল থেকে ভোটকেন্দ্রে ‘পাহারা’ বসানোর আহ্বান জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, “গণনা শেষে ফলাফল বুঝে নিয়ে আপনারা কেন্দ্র ত্যাগ করবেন।”

আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীরা অবাধে টাকা ছড়াচ্ছে, এমন অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “মনে রাখবেন, দেশের সম্পদ লুটপাট করে এবং আপনাদের রক্ত শুষে এরা টাকার পাহাড় গড়েছে। কাজেই এরা যে টাকা বিলাচ্ছে, সেটা আপনাদেরই টাকা। ওদের কাছ থেকে এ টাকা নিলেও ভোট বিক্রি করবেন না। টাকা নেবেন, কিন্তু বিবেক অনুযায়ী ভোট দেবেন। কারণ, ভোট বিক্রি আর ইমান বিক্রি একই কথা।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, “মনে রাখবেন, সব দিন সমান যায় না। এ পর্যন্ত যা-ই করেছেন, তিনটি সিটি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হতে দিন। এতে আপনার ক্ষমতা যাচ্ছে না।”

“খালেদা জিয়া সিটি নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছেন। তিনি নিজেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। খালেদা জিয়ার এসব অভিযোগও মনগড়া, ভিত্তিহীন।” খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন এই মত দেন।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।