Follow us

বড় চাপের মুখে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত: রুবানা হক

জেসমিন পাপড়ি
ঢাকা
2019-12-26
ই-মেইল করুন
মন্তব্য করুন
Share
বেনারনিউজের সাথে সাক্ষাৎকারে রুবানা হক, ঢাকা ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
বেনারনিউজের সাথে সাক্ষাৎকারে রুবানা হক, ঢাকা ডিসেম্বর ২২, ২০১৯
ছবি বেনার নিউজ

তৈরি পোশাক খাত বর্তমানে চরম প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক।

বেনারনিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন দেশের অন্যতম প্রধান এই শিল্পের নানা সমস্যার কথা। উঠে এসেছে পোশাক কারখানার নিরাপত্তায় নেওয়া নতুন উদ্যোগের প্রসঙ্গও।

রুবানা হক একজন শিক্ষিকা থেকে পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী হয়ে ওঠা অন্যতম নারী উদ্যোক্তা। মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বর্তমানে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠনের (বিজিএমইএ) সভাপতি। নারী হিসেবে তিনিই প্রথম এ দায়িত্ব পালন করছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনিসুল হকের স্ত্রী রুবানা হক সামলাচ্ছেন মোহাম্মদী গ্রুপের বিশাল দায়িত্বও। নেতৃত্ব ও ব্যবসার পাশাপাশি সাহিত্য চর্চাও করেন তিনি।

প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক খাত কেমন সময় পার করছে—এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “একটা তোপের মুখে আছি আমরা। গত চার মাসে সাড়ে সাত শতাংশের বেশি আমাদের নেগেটিভ প্রবৃদ্ধি। অন্যান্য দেশেও খুব যে সুখকর পরিস্থিতি তা নয়। তবে তারা আমাদের চেয়ে অন্তত তুলনামূলকভাবে ভালো করছে।”

ভিয়েতনামের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধের পুরো ফায়দা তারা নিতে পেরেছে। যুক্তরাষ্ট্র যে ধরনের পণ্য আমদানি করে আমাদের ধরনের পণ্য না থাকায় এই সুবিধা আমরা নিতে পারিনি।”

তা ছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশের মুদ্রার অবস্থান খুব শক্তিশালী উল্লেখ করে রুবানা হক বলেন, “অবমূল্যায়ন হলে আমদানির ওপর চাপ পড়ে। এ জন্য সরকার পুনর্মূল্যায়নও করছে না। এদিকে প্রতিযোগী দেশ ভারত, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান এমনকি তুরস্কও অনেক কম দামে পণ্য দিচ্ছে।”

উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন “নিজেদের মুদ্রার ১২১ অবমূল্যায়ন হওয়ায় একটা হুডিওয়ালা জ্যাকেট মাত্র ১ দশমিক ৮৩ ইউরোতে তুরস্ক বিক্রি করছে, আমাদের জন্য এটা অসম্ভব।”

গত প্রায় সাত মাসে ৭০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে জানিয়ে রুবানা হক বলেন, “বিজিএমইএ’র সদস্য ৫৯টি কারখানাসহ প্রায় ৭০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে। শুধু বন্ধ বিজিএমইএ কারখানাগুলোর ২৯ হাজার সাতশ কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।”

পাশাপাশি ৫৩টি নতুন ফ্যাক্টরির আবেদন জমাও জানিয়ে তিনি বলেন, এগুলো মোটামুটি সচল হতে হতে আরও এক-দেড় বছর লাগবে। এই সময়ে চাকরি হারানো শ্রমিকেরা কি করবেন? এভাবে নেগেটিভ গ্রোথ চলতে থাকলে, শিল্প বিপজ্জনক অবস্থায় পড়লে কীভাবে এদের কর্মসংস্থান হবে?”

কারখানা বন্ধের পেছনে কারণ ব্যাখ্যা করে রুবানা হক বলেন, “ফ্যাক্টরিগুলো মূলত: আর্থিক সংকটের জন্য বন্ধ হচ্ছে। কারণ, আমরা ন্যূনতম মজুরি বাড়ালেও আমাদের কোনো ক্রেতাই বেশি দাম দেননি। অথচ কমপ্লায়েন্সেরও পুরোপুরি চাপ রয়েছে।”

“যে কারণে ক্ষুদ্র কারখানা একেবারেই বন্ধ হচ্ছে। আর মাঝারি কারখানা ঝামেলার মধ্যে আছে। কারণ, ভবিষ্যৎ বিবেচনা না করে মালিকেরা এমনভাবে কারখানা সম্প্রসারণ করেছে যাতে ব্যাংকের ঋণ বেড়েছে,” বলেন বিজিএমইএ সভাপতি।

তা ছাড়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে তীর্যক প্রতিযোগিতা রয়েছে জানিয়ে রুবানা হক বলেন, “এখন পরিস্থিতি এমন যে,  মালিকেরা যে কোনো দামে কাজ নিচ্ছেন। ক্রেতারাও এতে সুযোগ পেয়ে যান। আমাদের এত সবুজ কারখানা, সে অনুযায়ী দাম চাইলে ক্রেতারা আমাদের নিজেদের মধ্যকার প্রতিযোগিতাকে দেখিয়ে দেন। এ জন্য দাম বাড়ানোর কথা খুব জোরেসোরে বলতে পারি তাও নয়।”

এদিকে চলতি বছরই হয়তো ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারকের মুকুট হারাতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে বছরের প্রথম নয় মাসে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে ভিয়েতনাম।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম ৯ মাসে বাংলাদেশ থেকে ২ হাজার ৬১০ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ভিয়েতনাম থেকে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৯৩০ কোটি ডলারের পোশাক। তার মানে, ৯ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনাম ৩২০ কোটি ডলারের পোশাক বেশি রপ্তানি করেছে।

পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনাম যে বাংলাদেশকে ধরে ফেলতে যাচ্ছে, তা কয়েক মাস আগে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস রিভিউ ২০১৯ প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের পরই একক দেশ হিসেবে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে আছে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনাম।  গত বছর ১০ শীর্ষ রপ্তানিকারকের মধ্যে বাংলাদেশের বাজার হিস্যা ছিল ৬ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে ভিয়েতনামের বাজার হিস্যা বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। এই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে নেমে যেতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

বিশ্ব বাজারের অবস্থা ভালো নয় বলে উল্লেখ করেন রুবানা হক। তাঁর মতে, পণ্যের বৈচিত্র্য না থাকা পোশাক খাতে আজকের দুর্দশার জন্য দায়ী করেন তিনি।

 

 

রুবানা হক বলেন, “আমরা মৌলিক পাঁচটি পণ্য উৎপাদন করি। যদি পণ্য বৈচিত্র্যের দিকে না যাই তাহলে আমরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাব। এখন ভ্যালু এডিশনের (মান সংযোজনের) সময়।”

এখন সবাই সাসটেইনেবিলিটির কথা বলে। অর্থাৎ কম কিনবেন বেশি দাম দিয়ে। আজকাল ৫০ হাজার পিস অর্ডার না করে ক্রেতারা সাতশ বা আটশ পিস অর্ডার দেন।

“তাতে হয়তো আমরা বেশি দাম চাইতে পারি। কিন্তু অল্পসংখ্যক প্রস্তুত করার জন্য কিন্তু কারখানার লাইনকে বিশেষায়িত হতে হয়। এখন আমাদের মডিউলার লাইন সেট আপ করতে হচ্ছে। যদি আমার ৬০ লাইনের ফ্যাক্টরি থাকে তাহলে দুই লাইনে এক সেট আপ, অন্য লাইনগুলোতে অন্য সেট আপ করাতে হবে। নইলে টিকে থাকা মুশকিল হবে,” বলেন তিনি।

এদিকে কিছু ফ্যাক্টরি বন্ধ হলেও গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ছিল ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা গত ১০ বছরের তুলনায় তিন গুন বেশি।

রুবানা হক অবশ্য বাৎসরিক আয়ের হিসেব দেখে সার্বিকভাবে পোশাক খাত কে বিবেচনা করতে নারাজ।

তিনি বলেন, “লক্ষ্য শুধু একটা নম্বর হতে পারে না। গত এক বছরে শতকরা ১১ দশমিক ৪৯ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু বছরের প্রায় সব মাসেই প্রবৃদ্ধি কম ছিল। সেপ্টেম্বরে শতকরা ৫১ ভাগ হঠাৎ বেড়ে যায়। সেটা দিয়ে সব মাস কাভার করে গ্রোথ ১১ দশমিক ৪৯ ভাগ হয়েছে।” রুবানা বলেন, এক মাসে একবারে ৫১ ভাগ বাড়া মানেই কিন্তু আসল প্রবৃদ্ধি নয়।

দেশের পোশাক রপ্তানি খাতে আয় বাড়লেও শ্রমিকদের জীবন মানের উন্নতি নেই। বেতন বাড়লেও তাদের ওপর কাজের চাপ বেড়েছে কয়েক গুন।  এ প্রসঙ্গে রুবানা হক বলেন, ন্যূনতম মজুরি বাড়ালেও শ্রমিকেরা তার সুফল পাচ্ছে না। কারণ সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।

তিনি বলেন, “শ্রমিকের মজুরি বাড়লেই বাড়ি ভাড়াসহ সকল দ্রব্যমূল্য বেড়ে যায়। মজুরির টাকা শ্রমিকদের পেটে যায় না। যায় বাড়িওয়ালার পকেটে, যানবাহনে কিংবা দোকানদারের পকেটে।”

চলতি ডিসেম্বর ৫ শতাংশ বেতন বাড়ানোর অঙ্গীকার করা থাকলেও সেটা কীভাবে পূরণ হবে তা নিয়েও শঙ্কার কথা জানান বিজিএমইএ সভাপতি। তিনি বলেন, “কোনো ক্রেতা আমাদের ৫ শতাংশ দাম বাড়াননি। এর দায়ভার কেউ নেন না।”

তিনি বলেন, “এটা একটা ট্র্যাজেডি। সবাই শুধুমাত্র আমরা বেতন কি দিচ্ছি এবং তা দিয়ে কর্মীদের চলছে না সেটা বলছেন। কিন্তু এর সাথে আরও ১০টা ফ্যাক্টর জড়িত, শ্রমিকেরা যাতে সবার চেয়ে কম মূল্যে চাল পান, সুলভে আবাসন সুবিধা পান সে কথা কেউ বলেন না।”

তবে বাংলাদেশের শ্রমিকদের দক্ষতা মাত্র ৪০ ভাগ বলেও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই দক্ষতা নিয়ে যে আমরা এখনো টিকে আছি সেটাই অনেক। যেখানে চীন শ্রমিকদের শতকরা ৮০ ভাগ শ্রীলঙ্কা ৭০ ভাগ দক্ষতা নিয়ে কাজ করছে।”

প্রধানমন্ত্রী ২ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে শ্রমিকদের জন্য একটা আবাসন প্রকল্প করার পরামর্শ দিলেও ব্যাংকের জটিলতায় পাঁচ বছরেও তা আলোর মুখ দেখেনি বলে জানান রুবানা হক।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারের রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় ১ হাজার ১৩৮ শ্রমিক নিহত হন। আহত হন সহস্রাধিক শ্রমিক। এই ঘটনার পর বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট অ্যালায়েন্স গঠিত হয়।

২০১৮ সালের মে মাসে মেয়াদ শেষে অ্যালায়েন্স ফিরে গেলেও আরও তিন বছর সময় বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় অ্যাকর্ড। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

পরে পোশাক শিল্পে নিরাপদ কর্ম পরিবেশ নিশ্চিত করতে কারখানা মালিক, বিদেশি ক্রেতা ও শ্রমিক নেতাদের নিয়ে আরএমজি সাসটেইনিবিলিটি কাউন্সিলের (আরএসসি) গঠন করা হয়েছে বলে জানান রুবানা হক।

রুবানা হক বলেন, “নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রশ্নে অ্যাকর্ডের সাথে আমরা একেবারেই একমত। এই বছরের মে মাসের শেষে তারা চলে যাচ্ছে। তার আগে আরএসসির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে অ্যাকর্ড।”

অ্যাকর্ডের সাথে কারখানা মালিকদের দ্বন্দ্বের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি মনে করি অ্যাকর্ড বা অ্যালায়েন্স প্রথম দিকে ন্যাশনাল কনটেক্সটে ছিল না। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী নিরাপত্তা সরঞ্জাম কিনতে আমাদের প্রচুর খরচ হয়েছে। ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার শুধুমাত্র আমরা অগ্নি নিরাপত্তার সরঞ্জাম কিনেছি, যা কাজে আসেনি।”

তিনি বলেন, “আসলে যুদ্ধ ঘোষণা করে কোনো দিন সমস্যার সমাধান হয় না। আমি অ্যাকর্ডকে বলেছি, আপনারা আমাদের বন্ধু। অনেক উপকার করেছেন। কিন্তু আটটি ক্রিটিক্যাল পয়েন্ট আছে যেগুলোতে আমাদের একমত হওয়া দরকার,”

“এরপর আমরা টেকনিক্যাল কমিটি করেছি। এক্সপার্ট নিয়োগ দিয়েছি। এরপরে অ্যাকর্ড বুঝতে পেরেছে। কোনো সমস্যা হলেই এখন বিজিএমইএ মধ্যস্থতা করে। এর আগে ফ্যাক্টরি সরাসরি অ্যাকর্ডের মুখোমুখি হতো। অ্যাকর্ড কিছু বললে পাল্টা যুক্তি দেখাত না,” বলেন রুবানা হক।

“আমি অ্যাকর্ডকে বলেছি, তোমাদের লক্ষ্য থাকুক একটা কারখানাকে উন্নত করে পরের লেভেলে নেওয়া। তবে তার ব্যবসা যেন বন্ধ না হয়,” যোগ করেন তিনি।

অ্যালায়েন্স সম্পর্কে তিনি জানান, তারা ভালোভাবে বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিল। তবে তারা ‘নিরাপন’ বলে একটা সংস্থার কাছে আবার কাজ দিয়েছে। তারা নতুন করে কাজ শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার পর এ দেশের তৈরি পোশাক কারখানার নিরাপত্তা, তদারকি, পরিদর্শন ও সংস্কারে ‘নিরাপন’ নামের জোটকে দায়িত্ব দেয় অ্যালায়েন্স।

২০১৭ সালে অ্যালায়েন্সের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রিট করা ড্রাগন সোয়েটার লিমিটেড নিরাপনের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তুলে সম্পূরক আবেদন করে। গত ২২ অক্টোবর ড্রাগনের করা আবেদনে রুলসহ নিরাপনের কার্যক্রম ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় হাই কোর্ট।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে নিরাপনের করা লিভ টু আপিল খারিজ করে ২ ডিসেম্বর সংস্থাটির কার্যক্রমের ওপর হাই কোর্টের দেওয়া ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

“বিষয়টি আদালতের বিবেচনাধীন। আশা করি দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। আমরা চাই সবাই আরএসসিতে যোগ দিক। তাতে আসলে সবারই উপকার হবে,” মনে করেন রুবানা হক।

পুর্ণাঙ্গ আকারে দেখুন