Follow us

এশিয়ায় ‘সহায়তার কূটনীতি’ নিয়ে এগোচ্ছে করোনাভাইরাসের উৎসদেশ চীন

ইমরান ভিটাচি
ওয়াশিংটন ডিসি
2020-03-27
ই-মেইল করুন
মন্তব্য করুন
Share
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গ্রিসসহ ইউরোপীয় দেশগুলোকে সহায়তার জন্য চীনা অনুদানের ৫-লাখ মাস্ক নিয়ে এথেন্সের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকারী একটি এয়ার চায়না বিমান থেকে জিনিসপত্র নামানো হচ্ছে। ২১ মার্চ ২০২০।
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় গ্রিসসহ ইউরোপীয় দেশগুলোকে সহায়তার জন্য চীনা অনুদানের ৫-লাখ মাস্ক নিয়ে এথেন্সের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকারী একটি এয়ার চায়না বিমান থেকে জিনিসপত্র নামানো হচ্ছে। ২১ মার্চ ২০২০।
[এএফপি]

নিজের ক্ষতিগ্রস্ত ভাবমূর্তি উদ্ধারের জন্য করোনাভাইরাস মহামারির উৎপত্তিস্থল চীন এখন আক্রান্ত প্রতিবেশী দেশগুলোকে চিকিৎসা সামগ্রীসহ অন্যান্য সহায়তা দেওয়া শুরু করেছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো চীন থেকে প্রচুর পরিমাণে হাসপাতাল সরঞ্জাম, স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা পোশাক, করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষার কিট এবং চিকিৎসা পরামর্শ নিচ্ছে।

মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক নূর হিসাম আব্দুল্লাহ বলেছেন, দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে চীনা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে পরামর্শ নিয়েছেন।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সংক্রমণের হার কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা নিয়ে কথা বলেছেন কর্মকর্তারা।

“কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য আমরা নতুন বিষয়গুলো জানতে চাচ্ছিলাম। চীনের কাছে নতুন ওষুধ আছে। এই ওষুধের কিছু কিছু এখনই হয়তো মালয়েশিয়ায় ব্যবহারের অনুমতি দেয়া যাবে না, কারণ এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আরও গবেষণা দরকার আছে,” সাংবাদিকদের বলেন নূর হিসাম আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, “ভাইরাস মোকাবিলার জন্য চীন মালয়েশিয়াকে ইতোমধ্যে প্রোটেক্টিভ গিয়ার, হাতের জীবাণুনাশক এবং অন্যান্য উপকরণ দিয়েছে। চীন ডাক্তারও পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আমাদের যথেষ্ট সংখ্যক ডাক্তার রয়েছেন।”

‘সদয় আচরণের প্রতিদান’

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পাশাপাশি ফিলিপাইন, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া এবং থাইল্যান্ডে চীনা অনুদানে সহায়তা সামগ্রীর বড় বড় চালান পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কর্মকর্তারা।

এসব সহায়তার মধ্যে রয়েছে এন-৯৫ মাস্ক, মেডিকেল মাস্ক, চশমা, সুরক্ষা পোশাক এবং কোভিড-১৯ পরীক্ষা উপকরণ।

অনেকের মতে, গত নভেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান শহরে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর শুরুর দিকে সংকটের কথা গোপন করায় সমালোচনার শিকার হয়ে এখন দেশটি ভাবিমূর্তি উদ্ধারের অংশ হিসেবে এসব করছে। আগেভাগে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্যও রয়েছে চীনের সমালোচনা।

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক সংগঠন ‘কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস’ চলতি সপ্তাহে এক প্রতিবেদনে বলেছে, “তাদের মারাত্মক ভুলগুলোর একটি হলো উহানে প্রাদুর্ভাব ঘটার শুরুতেই বিষয়টি না জানানো।”

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জনসাধারণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ভাইরাস সম্পর্কে তথ্য গোপন করেছিল এবং ডাক্তারদের মধ্যে যারা মুখ খুলেছিলেন তাঁদের থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

ফিলিপাইনের চীন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ রোমেল বানলাওইর মনে করেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের এই সময়ে সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে চীন প্রতিবেশীদের কাছে নিজের মহৎ ও দায়িত্বশীল বড় শক্তি হিসেবে ভাবমূর্তি তৈরি করতে চাচ্ছে।

“মহামারি মোকাবেলায় চীনের কঠোরতার বিষয়ে পশ্চিমাদের যে সমালোচনা ছিল, এসব ত্রাণ কার্যক্রমের মাধ্যমে তারও জবাব দিতে চায় দেশটি,” বেনারকে বলেন বানলাওই।

“চীন এখন মহামারির মারাত্মক প্রভাব কাটিয়ে উঠছে। তাই তারা বিশ্বকে বলতে চায় যে, চীন তার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা থেকে অন্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারে,” বলেন তিনি।

বানলাওইর স্থানীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট ফর পিস, ভায়োলেন্স অ্যান্ড টেরোরিজম রিসার্চ এর প্রধান।

চীনের সরকার, রাষ্ট্র পরিচালিত সংস্থা এবং চীনের সবচেয়ে ধনাঢ্য ব্যক্তি জ্যাক মা সম্পর্কিত প্রচারণা এশিয়া ছাড়িয়ে আফ্রিকা এবং ইউরোপেও পৌঁছে গেছে। এদিকে স্পেন ও ইতালিতে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা চীনকেও ছাড়িয়ে গেছে।

চীনা পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র গেঙ শুয়াঙ বলেছেন, “যেসব দেশ এই মহামারি মোকাবেলায় চীনকে সহায়তা করেছে, দরকার হলে আমরা নির্দ্বিধায় তাদের সদয় আচরণের প্রতিদান দেব।”

তিনি বলেন, “যেহেতু আমাদের সামর্থ্য আছে, তাই আমরা কঠিন অবস্থায় পড়া বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে সহায়তা করব, বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা এবং ল্যাটিন অ্যামেরিকার উন্নয়নশীল দেশ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের মতো আঞ্চলিক সংগঠনগুলোকে; যাদের করোনা প্রতিরোধ সামগ্রীর ঘাটতি রয়েছে।”

এদিকে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশকে সহায়তার জন্য বৃহস্পতিবার ২৭ কোটি ৪০ লাখ ডালারের সহায়তা তহবিল ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মহামারি মোকাবেলার জন্য এই অর্থ বিশ্বের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ৬৪টি দেশ ও বিশ্বে সবচে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ জীবনযাপন করা মানুষদের সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের শরণার্থী সংস্থায় দেয়া হবে বলে জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

তিনি জানান, এই অর্থের ১০ কোটি ডলার জরুরি স্বাস্থ্য সহায়তা ও ১১ কোটি ডলার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নতুন মহামারি মোকাবেলায় খরচ করা হবে।

মার্চের শুরুতে করোনা মহামারি মোকাবেলায় সারা বিশ্বের জন্য ১৩০ কোটি ডলারের অর্থ সহায়তার একট দলিলে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবারের অর্থ সহায়তা তারই অংশ বলে জানান পম্পেও।

“কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র তার কার্যক্রম চালিয়ে যাবে। ঘোষিত অর্থ সহায়তাটি ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা ও ইউনিসেফসহ বিভিন্ন সংস্থায় দেওয়া সহায়তার বাইরে একটি প্রারম্ভিক বিনিয়োগ,” বলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

অন্যন্যদেরও এই দুর্যোগ মোকাবেলায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পম্পেও।

পৌঁছাচ্ছে চীনা সহায়তা

চলতি সপ্তায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াঙ ই জাকার্তা সফর করেছেন। সেখানে তিনি বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশটি যখন এর হুবেই প্রদেশের উহানে প্রথম প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছিল তখন ইন্দোনেশিয়া যে সমর্থন যুগিয়েছিল, এবার চীনের দিক থেকে তার প্রতিদান দেওয়ার পালা।

বুধবার তিনি বলেন, “চীনের দেয়া সহায়তা সামগ্রী আজ ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। মহামারি সামাল দিতে ইন্দোনেশিয়া চীন থেকে যেসব সামগ্রী কিনতে চায়, আমরা সে ব্যাপারেও সুযোগ-সুবিধা দেবো।”

ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, একটি মিলিটারি কার্গো বিমান এই সপ্তাহের গোড়ার দিকে চীন থেকে ৯ টন চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে ফিরেছে। এছাড়া শুক্র ও শনিবার আরও ২০ টন করে মোট ৪০ টন চিকিৎসা সামগ্রী চীন থেকে দেশটিতে আসার কথা রয়েছে।

এর মধ্যে কিছু পণ্য চীনে বসবাসরত ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকরা দান করেছেন বলে বেনারকে জানান ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা শান্ত দারমোসুমারতে।

ঢাকার চীনা দূতাবাস ও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বাসসের তথ্যমতে, চলতি সপ্তাহে চীন থেকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ৪০ হাজার উপকরণসহ অন্যান্য সহায়তা সামগ্রীসহ বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা চীন থেকে কয়েক হাজার কোভিড-১৯ পরীক্ষার কিট, সার্জিক্যাল মাস্ক এবং পারসোনাল প্রোটেক্টিভ স্যুট পেয়েছে। এগুলো চীন সরকার ও আলী বাবা’র প্রতিষ্ঠাতা চীনা ধনকুবের জ্যাক মা পরিচালিত একটি ফাউন্ডেশন থেকে এসেছে। বাংলাদেশে আসা উপকরণগুলোর বেশিরভাগও এসেছে জ্যাক মা’র ফাউন্ডেশন থেকে।

ফিলিপাইনও চীন থেকে টেস্ট কিট, সার্জিকক্যাল মাস্ক এবং প্রোটেক্টিভ স্যুটসহ বহু পরিমাণ চিকিৎসা সামগ্রী পেয়েছে বলে গত সপ্তাহে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর।

ত্রুটিপূর্ণ কিট?

ইউরোপ ছাড়া এশিয়ার দেশগুলো থেকে চীনা সহায়তার ব্যাপারে কোনো নেতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

বুধবার প্রকাশিত এক সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি চেক প্রজাতন্ত্র চীন থেকে যে কিটগুলো নিয়েছে তার ৮০ শতাংশ ত্রুটিপূর্ণ, যা কোভিড-১৯ পরীক্ষায় ভুল ফলাফল দিচ্ছে। চেক প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তাইওয়ান নিউজ এই সংবাদটি প্রকাশ করেছে।

ওয়াশিংটনে আমেরিকার একজন আইন প্রণেতা এবং হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্যরা চীনের সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, চেক প্রজাতন্ত্রের মতো মহামারি আক্রান্ত দেশগুলোতে চীন নষ্ট চিকিৎসা সামগ্রী পাঠাচ্ছে।

“যদিও চীনা কমিউনিস্ট পার্টি বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠার মাধ্যমে দায় এড়াতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছে, তবে তাদের প্রচারণার পেছনের সত্য এখন বেরিয়ে আসছে,” বলেছেন কংগ্রেসম্যান মাইকেল ম্যাককুল।

এই দানযজ্ঞ নিয়ে চীনের উচ্চবাচ্যের বিপক্ষে আরেকটি ঘটনা প্রকাশ হয়েছে বেইজিংয়ে, যেখানে থাই দূতাবাস চায়না মিডিয়ার অভিযোগের জবাবে একটি প্রেস রিলিজ দিয়েছে। চায়না মিডিয়ায় বলা হচ্ছিল, থাইল্যান্ড একদিকে চীন থেকে চিকিৎসাসামগ্রী অনুদান হিসেবে নিচ্ছে, অন্যদিকে আমেরিকায় সুরক্ষা মাস্ক রপ্তানি করছে।

এর জবাবে থাই দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “থাইল্যান্ড চীন থেকে স্বাস্থ্য বিষয়ক ত্রাণ সামগ্রী নিয়েছে চীনের ইচ্ছায়। থাইল্যান্ড এর আগে কোভিড-১৯ সংক্রমণের সবচেয়ে খারাপ সময়ে চীনকে চিকিৎসাসামগ্রী দিয়েছিল। থাইল্যান্ডের বিনিয়োগ বোর্ডে নিবন্ধনকৃত অনেকগুলো বিদেশি প্রতিষ্ঠান মাস্ক তৈরি করে, যা কেবল বিদেশে রপ্তানির জন্য করা হয়ে থকে।”

চীনের চমৎকার গণসংযোগ

এশিয়ায় চীনের জনসংযোগ অভিযান দেশটির বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে বিপুল বিনিয়োগ নিয়ে ওই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী উদ্বেগগুলো প্রশমনে কার্যকর হতে পারে।

চীনের ওই প্রকল্প ব্যবসা-বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে কিছু কমকর্তা ও বিশেষজ্ঞ মনে করলেও অতি ব্যয়বহুল এই প্রকল্পে ঋণগ্রহীতা দেশগুলো চীনের কাছে ঋণের ফাঁদে পড়ে যাবে বলে তাঁদের উদ্বেগ রয়েছে।

চলতি সপ্তাহে দি ডিপ্লোম্যাটে প্রকাশিত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল পরীক্ষার্থী ব্রায়ান ওঙ এর লেখা এক প্রবন্ধে বলা হয়েছে, “করোনাভাইরাস সংকটকালে দেশগুলোকে চীনের এই চিকিৎসা সামগ্রীর ব্যাপক অনুদান ঐতিহাসিকভাবে ওই অঞ্চলে চীনের বিকৃত ও ঘৃণ্য ভাবমূর্তি নববিনির্মাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

“প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি সংকটময় মুহূর্তে জরুরি ত্রাণসামগ্রী দিয়ে চীন ওই দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রবেশাধিকার পাচ্ছে। দেশগুলো চীনের কাছে নিজেদের উন্মুক্ত করে দিচ্ছে,” বলেছেন তিনি।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন কুয়ালালামপুর থেকে নূহ লী এবং নিশা ডেভিড, জাকার্তা থেকে আহমেদ শ্যামসুদিন, ম্যানিলা থেকে জ্যাসন গুটিরেজ এবং ব্যাংকক থেকে পিমুখ রাকানাম।

পুর্ণাঙ্গ আকারে দেখুন