জরিপ প্রতিবেদন: মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য বিশ্বে ভারত ‘কঠিন জায়গা’, বাংলাদেশে রয়েছে অন্যতম ‘কঠোর আইন’

পুলক ঘটক ও পরিতোষ পাল
2022.05.04
ঢাকা ও কলকাতা
Share on WhatsApp
Share on WhatsApp
জরিপ প্রতিবেদন: মুক্ত সাংবাদিকতার জন্য বিশ্বে ভারত ‘কঠিন জায়গা’, বাংলাদেশে রয়েছে অন্যতম ‘কঠোর আইন’ ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে আটক লেখক মোশতাক আহমেদের জেল হাজতে মৃত্যুর প্রতিবাদে ঢাকার শাহবাগে বাম ছাত্র সংগঠনগুলোর সমাবেশে প্ল্যাকার্ড হাতে এক বিক্ষোভকারী। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
[বেনারনিউজ]

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ভারত-বাংলাদেশ দুইটি প্রতিবেশী দেশই গত বছরের তুলনায় পিছিয়েছে বেশ কয়েক ধাপ।

মঙ্গলবার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে প্রকাশিত প্যারিস ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এর ২০২২ সালের সূচকে এই চিত্র উঠে আসে।

সূচকে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সবার শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে এবং সবার নিচে উত্তর কোরিয়া।

প্রতিবেদন অনুযায়ী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকারের প্রশ্নে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে ভুটান। ভুটানের অবস্থান ৩৩ তম।

বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে “পৃথিবীর সবচে কঠোর আইনগুলোর মধ্যে অন্যতম” বলে উল্লেখ করা হয় প্রতিবেদনে। অন্যদিকে ভারতকে উল্লেখ করা হয় বিশ্বে “সাংবাদিকদের জন্য কঠিন জায়গা” হিসেবে।

বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা প্রায়ই তাঁদের অপছন্দের সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন এবং সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করতে হয়রানি ও মামলা-মোকদ্দমার আশ্রয় নিয়ে থাকেন বলে জানানো হয় প্রতিবেদনে।

অন্যদিকে ভারতে সরকারের সমালোচক সাংবাদিকদের রাষ্ট্রবিরোধী তকমা দেবার পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহিতা, আদালত অবমাননা এবং জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক নানা ধারায় অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে জানায় প্রতিবেদন।

পাঁচটি মাপকাঠির ভিত্তিতে একটি দেশ বা অঞ্চলের সংবাদমাধ্যম কতটা স্বাধীনতা ভোগ করছে তারই চিত্র তুলে ধরে আরএসএফ। এই পাঁচটি মাপকাঠি হলো- রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আইনি কাঠামো, অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট ও নিরাপত্তা।

সবগুলো মাপকাঠির স্কোরের গড় থেকে তৈরি করা হয় একটি দেশের বৈশ্বিক স্কোর। ১০০ পয়েন্টের এই সূচকে যে দেশের স্কোর যত বেশি, সে দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা তত বেশি বলে ধরা হয়।

গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত জরিপ করা বিশ্বের ১৮০টি দেশ ও অঞ্চলের মধ্যে এবার ৪১ স্কোর নিয়ে ভারতের অবস্থান ১৫০তম, যা গত বছর ছিল ৫৩.৪৪ স্কোর নিয়ে ১৪২তম।

একইভাবে গত বছর ৫০.২৯ স্কোর নিয়ে ১৫২তম স্থানে থাকা বাংলাদেশ চলতি বছরে ৩৬.৬৩ স্কোর নিয়ে নেমে এসেছে ১৬২তম অবস্থানে।

২০০২ সাল থেকে আরএসএফ এই সূচক প্রকাশ করে আসছে।

বাংলাদেশি গণমাধ্যমের ‘আত্মনিয়ন্ত্রণ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিম্ন স্কোরের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে আরএসএফের এশিয়া-প্যাসিফিক পরিচালক ড্যানিয়েল বাস্টার্ড এক ইমেইলে বেনারকে বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর “নিপীড়ন এখনো অনেক উচ্চ পর্যায়ে।”

গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকজন গণমাধ্যম কর্মীর ওপর উদ্দেশ্যমূলকভাবে আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন ড্যানিয়েল।

আরএসএফ’র নতুন জরিপ পদ্ধতি বাংলাদেশে গণমাধ্যমরে উপর “নিয়ন্ত্রণ” ও গণমাধ্যম কর্মীদের “আত্মনিয়ন্ত্রণের” অনেক পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরে জানিয়ে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বর্তমানে অনেক বেশি।

সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নিচে নেমে আসার এটি অন্যতম কারণ বলে জানান তিনি।

২০২১ সালে আরএসএফ’র প্রতিবেদনে বিশ্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্বকারীদের মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অন্যতম বলে উল্লেখ করা হয় জানিয়ে ড্যানিয়েল বলেন “বেনারনিউজের মতো কয়েকটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিষয়টি প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের কোনো গণমাধ্যমই এটি প্রকাশ করেনি।”

“এ থেকেই বোঝা যায় বাংলাদেশের গণমাধ্যমগুলাতে আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি কতটা গভীর,” বলেন ড্যানিয়েল।

তিনি বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন “খুব শক্তিশালী একটি নিপীড়নমূলক হাতিয়ার, যা প্রায় ক্ষেত্রেই সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে অভিযানের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।”

“এই আইনটির সংস্কার ছাড়া, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুস্থ পরিবেশ পাওয়া খুবই কঠিন,” বলেন ড্যানিয়েল।

কেউ একমত, কেউ দ্বিমত

আরএসএফ’র সূচক বিষয়ে মতামত জানার জন্য বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ এবং আইন মন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করেও উত্তর পাওয়া যায়নি।

এদিকে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমে সমস্যা ও সংকটের কথা স্বীকার করলেও আরএসএফের এই প্রতিবেদনকে সঠিক বলে মানতে রাজি নন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী।

সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের গণমাধ্যমের পরিস্থিতি আফগানিস্তানের চেয়েও শোচনীয় অবস্থায় দেখানো হয়েছে বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সমস্যা আছে, কিন্তু তার অর্থ এই নয়, বাংলাদেশের প্রেসফ্রিডম পরিস্থিতি বা রাজনৈতিক পরিস্থিতি আফগানিস্তানের চেয়েও খারাপ।”

“তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগানিস্তানকে বাংলাদেশের উপরে রেখে আরএসএফ প্রমাণ করেছে তারা সঠিক রিপোর্ট দেয়নি। তাদের কার্যক্রমে গলদ আছে।”

বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সমস্যাগুলো থেকে উত্তরণের জন্য “সাংবাদিক সমাজের লড়াই অব্যাহত আছে এবং সরকারও এসব আন্দোলনে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে,” বলে জানান তিনি।

প্রায় একই মন্তব্য করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক বেনারকে বলেন, “আমাদের দেশে এখন সরকারের দিক থেকে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করা হয় না।”

তাঁর মতে, “সাংবাদিকতার স্বাধীনতায় কর্পোরেট মালিকদের নিয়ন্ত্রণ আছে। এখানে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা বলতে মালিকদের স্বাধীনতা।”

তবে বাংলাদেশের “সংবাদপত্রের স্বাধীনতা মোটেই ভালো অবস্থায় নেই” বলে মনে করেন সাংবাদিকদের আরেকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের বিএনপি সমর্থিত অংশের সাবেক মহাসচিব এম এ আজিজ।

তিনি বলেন, “দেশে গণতন্ত্র না থাকাই এর মূল কারণ।”

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি সম্পর্কে যতগুলো আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন বেরিয়েছে তার কোনোটিতেই “বাংলাদেশের অবস্থা ভালো বলা হয়নি,” উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সবাই বলেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতাসহ সকল সূচকে পিছিয়েছে।”

AP22033401598370.jpg
বিজেপি সরকারের পক্ষ থেকে স্পাইওয়্যার ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষ, সাংবাদিক ও অধিকারকর্মীদের কার্যক্রমে আড়িপাতার প্রতিবাদে নয়া দিল্লিতে বিরোধীদল কংগ্রেসের সমাবেশে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’র ব্যঙ্গচিত্র নিয়ে বিক্ষোভে একজন অংশগ্রহণকারী। ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২। [এপি]

ভারত সাংবাদিকদের জন্য ‘কঠিন জায়গা

ভারত “সাংবাদিকদের জন্য কঠিন জায়গা” বলে উল্লেখ করা হয় আরএসএফ’র চলতি বছরের সমীক্ষা প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “ভারতে সাংবাদিকদের এখন পুলিশ, রাজনৈতিক কর্মী, অপরাধী গোষ্ঠী ও স্থানীয় দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মকর্তাদের আক্রমণসহ সব ধরনের শারীরিক হিংসার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।”

২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা নরেন্দ্র মোদীর শাসনামল এবং হিন্দু জাতীয়তাবাদের মূর্ত প্রকাশের ফলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, সরকারের সমালোচক সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক হয়রানি ও আক্রমণের প্রচার চালিয়ে চলেছে মোদী ভক্তরা।

প্রতিবেদনের সঙ্গে ঐক্যমত্য প্রকাশ করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম অ্যান্ড মাস কমিউনিকেশনের সিনিয়র অধ্যাপক অঞ্জন বেরা বেনারকে বলেন, ভারতে “গত কয়েকবছরে যেভাবে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়েছে তা দুর্ভাগ্যজনক।”

তাঁর মতে, সংবাদমাধ্যমের মালিকানার কেন্দ্রীভবন, কর্পোরেট সংস্থার নিয়ন্ত্রণ এবং ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ভিত্তিতে বিভাজনের রাজনীতি ভারতের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর বিরূপ প্রভাব ফেলেছে।

“এর মধ্যে যে সব সংবাদপত্র ও ডিজিটাল মিডিয়া সরকারের সমালোচনা করছে তাদের উপর হস্তক্ষেপ বাড়ছে। বিশেষ করে ডিজিটাল মিডিয়াকে দমন করার ক্ষেত্রে সরকারের ভূমিকা উদ্বেগজনক।”

এদিকে ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা “কখনো স্বাস্থ্যকর ছিল না,” বলে মন্তব্য করেন নয়াদিল্লীতে দীর্ঘদিন কর্মরত প্রবীণ সাংবাদিক দেবারুণ রায়।

তবে তাঁর মতে, “২০১৪ সালের পরে বর্তমান সরকারের আমলে মিডিয়ার বহুত্ববাদী চরিত্রকে বিলোপ করে দেওয়া হয়েছে। কর্পোরেটের মাধ্যমে, বিভাজনের মাধ্যমে ভারতীয় মিডিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের সব অধিকার কেড়ে নেবার ব্যবস্থা হচ্ছে।”

বর্তমানে ভারতে ১৩ জন সাংবাদিক জেলে রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় আরএসএফের প্রতিবেদনে।

ভারতের প্রেস কাউন্সিল আরএসএফের এ বছরের প্রতিবেদনের ওপর এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি, তবে আগের প্রতিবেদনগুলো নিয়ে তারা বিভিন্ন সময়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি আরএসএফের সূচকে ভারতের অবস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই এই প্রতিবেদন খারিজ করে সংসদে জানান, খুব অল্প সংখ্যক মতামত, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মৌলিক অবস্থানের উপর গুরুত্ব না দেওয়া এবং প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে এমন ও অস্বচ্ছ পদ্ধতি অবলম্বন করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

দুই দেশেই সাংবাদিক হয়রানি বন্ধের দাবি

আরএসএফ এবং অন্য নয়টি মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ভারত কর্তৃপক্ষকে সরকারের সমালোচক সাংবাদিক ও অনলাইন মিডিয়ার উপর আক্রমণ বন্ধ করার আবেদন জানানো হয়। বিশেষ করে সন্ত্রাস বিরোধী এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতা আইনে সাংবাদিকদের বিচার বন্ধ করার দাবি জানানো হয়।

এদিকে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে “প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে,” বলে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেছে সম্পাদক পরিষদ।

“অনেক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে এবং অনেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। শুধু সাংবাদিক নন, বিভিন্ন ক্ষেত্রের অ্যাকটিভিস্ট, শিল্পী, লেখকেরাও এ আইনে মামলার মুখোমুখি হয়েছেন,” বলেছে সম্পাদক পরিষদ,” বলা হয় পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।

পুর্ণাঙ্গ আকারে দেখুন