রোহিঙ্গাদের শরণার্থী জীবন: কেবলই পালিয়ে বেড়ানো

আহম্মদ ফয়েজ ও আব্দুর রহমান
ঢাকা ও কক্সবাজার
2021-08-24
Share
রোহিঙ্গাদের শরণার্থী জীবন: কেবলই পালিয়ে বেড়ানো মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে বাংলাদেশের শাহপরীর দ্বীপে এসে পৌঁছানোর পর সৈকতে এক বিধ্বস্ত রোহিঙ্গা নারী। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
[রয়টার্স]

ভাসানচরের ‘বন্দি জীবন’ থেকে মুক্তি পেতে রোহিঙ্গা নারী রশিদা বেগমেরও কয়দিন আগে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলারের যাত্রী হবার কথা ছিল।

ডুবে যাওয়া নৌকার ৩৮ শরণার্থীদের মধ্যে আট শিশুসহ ১৩ জনের লাশ উদ্ধার শেষে উদ্ধার অভিযানও শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ। অপরদিকে ঘটনার দিন জেলেরা জীবিত উদ্ধার করেছে ১২জনকে, বাকি ১৩জন নিখোঁজ।

“কিছুদিন আগে এখান থেকে পালানোর সময় রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে ট্রলার সাগরে ডুবে গেছে, সেই ট্রলারে আমার যাবার কথা ছিল। সেদিন ছোট ছেলে অসুস্থ হওয়ার কারণে আমার যাওয়া হয়নি। আমি জানি না এই পালিয়ে বেড়ানোর দিন কবে শেষ হবে,” রশিদা (৩৫)। 

ট্রলার ডুবিতে প্রাণহানির ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটল যখন মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশ ছাড়া রোহিঙ্গারা পালন করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়ার চতুর্থ বার্ষিকী। 

২৫ আগস্ট: রোহিঙ্গাদের কালো দিন

‘২৫ আগস্টকে রোহিঙ্গাদের জন্য কালো দিন’ আখ্যা দিয়ে রোহিঙ্গা সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) নেতা সৈয়দ উল্লাাহ বেনারকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে দিবসটি পালনে এ বছর কোনো আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না।

২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ সরকার একটি নিরাপদ ও উন্নত জীবনের প্রতিশ্রুতে দিয়ে প্রায় ১৯ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে কক্সবাজার থেকে মধ্য বঙ্গোপসাগরের ভাসানচর দ্বীপে স্থানান্তর করেছে। সেখানে সরকার এক লাখেরও বেশি শরণার্থীকে রাখার মতো করে একটি কমপ্লেক্স তৈরি করেছে, যেখান থেকে শরণার্থীদের বাইরে যাওয়া নিষেধ।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের স্বাধীনভাবে কক্সবাজারে তাঁদের আত্মীয়–স্বজনের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন এইচআরডব্লিউ।

গত মে মাসে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) প্রতিনিধিরা দ্বীপটি পরিদর্শনে গেলে সেখানকার শরণার্থীরা তাঁদের সামনেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাঁরা অভিযোগ করেন যে, ওই দ্বীপে তারা অর্থ উপার্জন করতে পারেন না, এবং খুবই মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। 

bd rohingya2.jpg
মিয়ানমার থেকে প্রাণভয়ে পালিয়ে একটি ধানক্ষেত ধরে কক্সবাজারের পালংখালীর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন একদল রোহিঙ্গা। ২ নভেম্বর ২০১৭। [রয়টার্স]

‘মাঝ সমুদ্রে কারাদ্বীপ’

গত সপ্তাহে বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ভাসানচর ক্যাম্পের স্বজন ও প্রতিবেশী হারানো শরণার্থীদের শোক কাটেনি এখনো। এর মধ্যেই ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের পলায়ন ঠেকাতে ক্যাম্প এলাকায় নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন। 

সম্প্রতি ভাসানচর শরণার্থী ক্যাম্পকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের একটি প্রতিবেদনে “মাঝ সমুদ্রে কারাদ্বীপ” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। দ্বীপে বসবাসকারীরাও দাবি করেন, এখানকার জীবন তাঁদের কাছে জেল জীবনের মতো লাগে।

“সাম্প্রতিক ট্রলার ডুবির ঘটনায় স্থানীয় সিভিল ও পুলিশ প্রশাসন বৈঠক করে শরণার্থী ক্যাম্পে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে করে কেউ এখান থেকে পালিয়ে যেতে না পারে,” বেনারকে বলেন ভাসানচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ না করে তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ভাসানচর থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পালিয়ে যাবার ঘটনা বাড়ছে।

ভাসানচরের আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি গুচ্ছগ্রামের সমন্বয়ক রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ জুবাইর বেনারকে বলেন, “এখান থেকে পালানোর সময় ট্রলার ডুবিতে নিখোঁজ পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা বেড়েছে। সব মিলিয়ে রোহিঙ্গারা ভয়ভীতির মধ্যে রয়েছে।” 

ট্রলার ডুবির পর উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রথম দিন উদ্ধার কাজে অংশ নেয়া চট্টগ্রামের কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট এম আব্দুর রউফ রোববার বেনারকে বলেন, “এতগুলো মানুষ একসঙ্গে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা ছিল মানুষগুলোকে জীবিত উদ্ধার করা, সেটা আর সম্ভব হয়নি।” 

“লাশ উদ্ধারের ঘটনা পীড়াদায়ক, বিশেষ করে যখন কোনো শিশুর লাশ উদ্ধার করতে হয় সেই সময়টা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের,” বলেন আব্দুর রউফ।

তিনি জানান, উদ্ধার কাজও সমাপ্ত ঘোষণা হয়েছে। তবে কোস্ট গার্ড ও নৌ-বাহিনীর টহল দলকে এ বিষয়ে বলা হয়েছে, তারা যেন ঘটনাস্থল ও আশপাশে নজর রাখে।

ওই ঘটনায় স্ত্রী ও চার সন্তানকে হারিয়ে সর্বহারা বশির আহম্মদ (৩৭)। গত ১৪ আগস্ট পরিবার নিয়ে ভাসানচর থেকে পালানোর সময় ট্রলার ডুবিতে বেঁচে যান তিনি, পরিবারের বাকিদের এখন পর্যন্ত খোঁজ নেই। 

ভাসানচরে বসবাস করা বশির জানান, “কক্সবাজার ক্যাম্পে বৃষ্টিতেও কষ্ট, গরমে আরো বেশি। রাতে ঘুম আসত না। একটু ভালো থাকার প্রত্যাশায় এই ক্যাম্পে এসেছিলাম, এখন দেখি এখানেও বন্দি জীবন।”

“পরিবারের সদস্যদের এই বন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পালাতে গিয়েছিলাম। এখন তারাই আমাকে মুক্তি চিরতরে দিয়ে দিয়েছে,” বলেন বশির।

ইউএনএইচসিআর গত সপ্তাহে (আগস্ট ১৯) প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২০ সালকে শরণার্থীদের বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগর পাড়ি দেয়ার ঘটনার জন্য সবচেয়ে মারাত্মক বছর হিসেবে চিহ্নিত করে। 

bd rohingya3.jpg
কক্সবাজারের বালুখালি রোহিঙ্গা শিবির পুড়ে যাবার পর ধ্বংসস্তূপে পড়ে থাকা জিনিসপত্র গোছাচ্ছেন এক রোহিঙ্গা শরণার্থী। ২৪ মার্চ ২০২১। [রয়টার্স]

পালিয়ে বেড়ানো জীবন

মিয়ানমার সেনাদের হাতে স্বামী জমির আহমদ খুন হবার পর ষোল বছর আগে রাখাইনের মংডুর কাওয়ারবিল থেকে অনেকর সঙ্গে পালিয়ে নাফ নদী পাড়ি দিয়ে কক্সবাজার চলে আসেন রশিদা। সে যাত্রায় তাঁর সঙ্গী ছিলেন তিন সন্তানও। আশ্রয় মেলে কক্সবাজারের উখিয়া অনিবন্ধিত কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে। ষোল বছর আগে একটি নিরাপদ জীবনরে আশায় যে পালানোর শুরু হয়েছে রশিদার জীবনে তা যেন আর শেষ হতে চায় না।

“এই যে আমি পালিয়ে বেড়াই, এখান থেকে ওখানে ছুটি তা শুধুমাত্র একটু নিরাপদ ও উন্নত জীবনের জন্য, যার নিশ্চয়তা আমরা কোথাও পাই না,” বেনারকে বলেন রশিদা। 

পালিয়ে বেড়ানোর এই তালিকা তাঁর দীর্ঘ। গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিন সন্তান নিয়ে উন্নত জীবনের আশায় কক্সবাজারের ক্যাম্প থেকে বড়ো একটি রোহিঙ্গা দলের সঙ্গে সাগর পথে পাড়ি জমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে। প্রায় দুই মাস সাগরে দুর্বিষহ দিন কাটানোর পর থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারে প্রবেশে ব্যর্থ হয়ে আবারো ফিরতে হয়ে সেই কক্সবাজারেই।

“ক্যাম্পের বাইরে মহেশখালীতে মাটি ভরাটের একটি কাজ পাই। আমিসহ দশ রোহিঙ্গা সেখানে যাওয়ার পথে ধরা পড়ি পুলিশের হাতে। এসময় আমাদের জানানো হয় নোয়াখালীর ভাসানচরে নতুন জীবনের গল্প। বলা হয়, সেখানে গেলে সন্তানরা পাবে ভালো চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থা। এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে প্রথম রোহিঙ্গা দলের সঙ্গে ভাসানচরে পাড়ি দেই ভালো জীবনের আশায়,” বলেন রশিদা। 

“কিন্তু এখানে এসে দেখি যেসব সুযোগ-সুবিধা দেবার কথা ছিল সেসব নেই। বিশেষ করে সন্তানদের জন্য চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যবস্থার কথা বললেও এসব কিছু নেই এখানে,” যোগ করেন তিনি। 

বেনারের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে রশিদা বলেন, নিজের দেশে নাগরিকত্ব নিয়ে ফিরতে চান।

২০১৭ সালের এই দিনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে কক্সবাজার অভিমুখে রোহিঙ্গাদের ঢল শুরু হয়। ২০১৮ সাল থেকে রোহিঙ্গারা দিনটিকে রোহিঙ্গা গণহত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। আগে থেকে বসবাসকারী রোহিঙ্গাসহ বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা রয়েছেন।

গত ১২ আগস্ট সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কমিটিকে অবহিত করা হয়েছে যে, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ইস্যুকে পাশ কাটিয়ে পশ্চিমা দেশসমূহ ও জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গাদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহণে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে।” 

চিঠিতে আরও বলা হয়, “ক্যাম্পের জীবনমানের ক্রমাগত উন্নয়ন বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের স্থায়ীভাবে বসবাসে উৎসাহিত করতে পারে এবং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে।” 

bd rohingya4.jpg
বন্যা আক্রান্ত কক্সবাজারের মৌলভির পাড়া এলাকায় কলাগাছের ভেলা নিয়ে যাচ্ছে এক রোহিঙ্গা শিশু। ৩০ জুলাই ২০২১। [এএফপি]

নিজ দেশে ফিরতে চান রোহিঙ্গারা

কক্সবাজার ও ভাসানচরে আশ্রিত রোহিঙ্গারা নাগরিকত্ব ও যথাযথ মর্যাদা পেলে নিজেদের মাতৃভূমিতে ফিরতে চান। কক্সবাজার ক্যাম্পের বাসিন্দা মোস্তফা কামাল বেনারকে বলেন, ২০১২ সালে একবার এবং ২০১৭ সালে আরেকবার পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।

“আমরা এখনো নিজ দেশে ফেরার স্বপ্ন দেখি। শরণার্থীদের মতো কষ্টের এবং অপমানের জীবন কেউই চায় না,” বলেন কামাল।

অপর বাসিন্দা নূর আহমেদ বেনারকে বলেন, “আমরা প্রতিটি মুহূর্ত পার করি নানা রকম ভয়ের মধ্য দিয়ে। আমরা যথাযথ সম্মান ও নাগরিকত্ব নিয়ে আমাদের নিজ দেশে ফিরতে চাই।”

তবে একাধিকবার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়া হলেও এখনো কোনো সাফল্য আসেনি।

প্রত্যাবাসনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ্ রেজওয়ান হায়াত বেনারকে বলেন, “রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফিরতে আগ্রহী, তবে মিয়ানমারের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে প্রক্রিয়াটি থমকে আছে।” 

চট্টগ্রামে আরো ৭৪ রোহিঙ্গা আটক

কক্সবাজারের বিভিন্ন শরণার্থী ক্যাম্প থেকে পালিয়ে লেবু বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে আসা ৭৪ জন রোহিঙ্গাকে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানা পুলিশ আটক করেছে। সোমবার রাতে এই এলাকার বিভিন্ন ভাড়া ঘর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। 

আটক রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর আদালতে সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে বলে বেনারকে জানান বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল করিম।

এর আগে ও গত ২৬ জুন আরো ৩১ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছিল বোয়ালখালী পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত দুই মাসে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে কাজের সন্ধানে বেরিয়ে যাওয়ার সময় বিভিন্ন জায়গায় থেকে প্রায় ছয়’শ রোহিঙ্গাকে আটক করে শিবিরে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তবে শরণার্থী শিবির থেকে কোনো কারণ ছাড়া কেউ যাতে বের হতে না পারেন সেজন্য “আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্তক থাকতে বলা হয়েছে,” বলে বেনারকে জানান রেজওয়ান হায়াত।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।

পুর্ণাঙ্গ আকারে দেখুন