বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলায় আতঙ্কিত সংখ্যালঘুরা

ঢাকা থেকে শাহরিয়ার শরীফ
2016.11.17
Share on WhatsApp
Share on WhatsApp

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হামলায় আক্রান্ত মন্দির। অক্টোবর ৩০, ২০১৬। স্টার মেইল

161117_slide2_1000.jpg

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকজনের বাড়ি এভাবে আগুনে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। নভেম্বর ০৩, ২০১৬। স্টার মেইল

161117_slide3_1000.jpg

দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে শাহবাগে রাস্তা অবরোধ করে বিভিন্ন সংগঠনের বিক্ষোভ। নভেম্বর ১২, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

161117_slide4_1000.jpg

লেখক-শিল্পী-সাংস্কৃতিক কর্মী ও সর্বস্তরের নাগরিকের উদ্যোগে শাহবাগে সমাবেশ ।নভেম্বর ০৪, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

161117_slide5_1000.jpg

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মানববন্ধন। নভেম্বর ১২, ২০১৬। স্টার মেইল।

161117_slide6_1000.jpg

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার্স ফোরামের মানববন্ধন। নভেম্বর ১২, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

161117_slide7_1000.jpg

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্র সংসদের মানববন্ধন। নভেম্বর ০৬, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

161117_slide8_1000.jpg

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুলনায় পূজা উদ্যাপন পরিষদের মানববন্ধন। নভেম্বর ১২, ২০১৬। ফোকাস বাংলা।

161117_slide9_1000.jpg

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ইউনিয়নের মানববন্ধন।নভেম্বর ০৫, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

161117_slide10_1000.jpg

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে মোমবাতি প্রজ্বলন ।নভেম্বর ১৪, ২০১৬। নিউজরুম ফটো।

গত ৩০ অক্টোবর একদল দুর্বৃত্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ১৫টি মন্দির এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে। ২৮ অক্টোবর নাসিরনগরে জগন্নাথ দাসের ছেলে রসরাজ দাসের ফেইস বুক পাতায় একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ওই ঘটনার সূত্রপাত হয়। পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে, পরে জানা যায় অন্য কেউ তার ফেসবুক আইডি ব্যবহার করেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি ইসলামি সংগঠন বিক্ষোভ–সমাবেশ কর্মসূচি দেয়। ওই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর লাঠিসোঁটা হাতে কয়েকশ মানুষ মন্দির ও হিন্দুদের বাড়িতে হামলা করে।

হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পাঁচ দিন পর ৪ নভেম্বর ওই এলাকায় কয়েকটি বাড়ি ও মন্দিরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় দেশজুড়ে যখন সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় চলছে তখন ১২ নভেম্বর ফের আগুন দেওয়া হয় আরেকটি হিন্দু বাড়িতে। নাসিরনগর ছাড়াও গাইবান্ধা, মুন্সিগঞ্জ, ফেনী, নেত্রকোনাসহ দেশের বেশ কয়েকটি স্থানে হিন্দুদের মন্দির ও বাড়িঘরে হামলা হয়।

এর প্রতিবাদে রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দেশজুড়ে ক্ষোভ–বিক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এসব কর্মসূচি থেকে দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করা হয়। নাসিরনগরসহ বিভিন্ন এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ও প্রশাসনের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতা ও মানবাধিকার কর্মীরা। দেশের বিভিন্ন স্থানে পরপর কয়েক দফা হামলা হওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।