এখন খাদ্য ও কর্মহীনতায় দেশ ছাড়ছে রোহিঙ্গারা

জেসমিন পাপড়ি
2017.10.17
ঢাকা
Share on WhatsApp
Share on WhatsApp
উখিয়ার আঞ্জুমান পাড়ার উত্তর সীমান্তের নাফ নদীর বেড়ি বাঁধের উপর আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের একাংশ। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। [তুষার তুহিন/বেনারনিউজ]

উখিয়ার আঞ্জুমান পাড়ার উত্তর সীমান্তের নাফ নদীর বেড়ি বাঁধের উপর আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের একাংশ। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। তুষার তুহিন/বেনারনিউজ

প্রচণ্ড রোদে নয়াপাড়া ক্যাম্পে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছেন রোহিঙ্গা নারীরা। ১৩ অক্টোবর ২০১৭। [আবদুর রহমান/বেনারনিউজ]

প্রচণ্ড রোদে নয়াপাড়া ক্যাম্পে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছেন রোহিঙ্গা নারীরা। ১৩ অক্টোবর ২০১৭। আবদুর রহমান/বেনারনিউজ

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুথিন পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন নতুন আসা রোহিঙ্গারা। ১৫ অক্টোবর ২০১৭। [আবদুর রহমান/বেনারনিউজ]

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুথিন পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছেন নতুন আসা রোহিঙ্গারা। ১৫ অক্টোবর ২০১৭। আবদুর রহমান/বেনারনিউজ

বৃদ্ধ বাবাকে কোলে নিয়ে উখিয়ার আঞ্জুমান পাড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এক রোহিঙ্গা যুবক। ১৬ অক্টোবর, ২০১৭। [তুষার তুহিন/বেনারনিউজ]

বৃদ্ধ বাবাকে কোলে নিয়ে উখিয়ার আঞ্জুমান পাড়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে এক রোহিঙ্গা যুবক। ১৬ অক্টোবর, ২০১৭। তুষার তুহিন/বেনারনিউজ

কুতুপালং ক্যাম্পে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিদর্শন করছেন আইওএম মহাপরিচালক উইলিয়াম লাসি সুইং। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। [তুষার তুহিন/বেনারনিউজ]

কুতুপালং ক্যাম্পে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিদর্শন করছেন আইওএম মহাপরিচালক উইলিয়াম লাসি সুইং। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। তুষার তুহিন/বেনারনিউজ

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে আলাপ করছেন সফররত মালয়েশিয় উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। [সৌজন্যে মালয়েশিয় উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মকর্তা]

কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা শিশুদের সাথে আলাপ করছেন সফররত মালয়েশিয় উপ-প্রধানমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি। ১৬ অক্টোবর ২০১৭। সৌজন্যে মালয়েশিয় উপ-প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কর্মকর্তা

টেকনাফের রক্ষইক্যং এলাকায় রাস্তার পাশে মার্বেল খেলছে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুরা। ১২ অক্টোবর ২০১৭। [আবদুর রহমান/বেনারনিউজ]

টেকনাফের রক্ষইক্যং এলাকায় রাস্তার পাশে মার্বেল খেলছে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শিশুরা। ১২ অক্টোবর ২০১৭। আবদুর রহমান/বেনারনিউজ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের পাশাপাশি খাদ্যের অভাব, কর্মহীনতা, ঘরে বন্দী করে রাখাসহ মৌলিক চাহিদার অপূর্ণতার কারণে নানা কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার পরও বন্ধ হয়নি বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের শ্রোত।

রাখাইনের বুথিডং থানার কোয়াইডং গ্রাম থেকে পালিয়ে আসা মোঃ ইসলাম (৪৫) বেনারকে বলেন, “রাখাইনের সহিংসতার পর থেকে স্থানীয় গ্রাম্য বাজার বন্ধ রয়েছে। যারা গ্রামে রয়েছে তারা কোনো কাজ-কর্ম করতে পারছে না। বাড়িতে খাবার নেই,”

“জ্বালাও পোড়া বন্ধ করে রাখাইনের সেনারা এখন কৃত্রিমভাবে খাদ্য সংকট তৈরি করে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসতে বাধ্য করছে,” বেনারকে বলেন একই গ্রাম থেকে পালিয়ে আসা আরেক রোহিঙ্গা আব্দুর রশিদ

গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখ ৮২ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলোর জোট আইএসসিজি)।

এদিকে স্যাটালাইটে পাওয়া নতুন তথ্য বিশ্লেষণ করে ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ২৮৮টি গ্রাম সম্পূর্ণ অথবা আংশিকভাবে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।